Let's Discuss!

সাধারণ জ্ঞান বিষয়ক বিস্তারিত তথ্য
#7106
মাহে রমযানের গুরুত্ব ও ফযিলত অসীম । পবিত্র কুরআন ও হাদিসের মাধ্যমে এর গুরুত্ব ও ফযিলত সম্পর্কে জানা যায় । ররমযান মাসেই কুরআন অবতীর্ণ হয় ও রোযা ফরজ হয় । এটা লাইলাতুল কদররের মাস এবং রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস । এ মাসে জান্নাতের দরজা খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেয়া হয় । শুধু রমাযানের জন্য বাকি এগারো মাসে জান্নাতাকে সাজানো হয় এবং এ মাসের একটি ফরজ অন্য মাসের সত্তরটি ফরজের সমতুল্য ,আর একটি নফল অন্য মাসের একটি ফরজের সমতুল্য । রোযার ফযিলত সম্পর্কে নবী করিম (স.) এরশাদ করেছেন -
-রমাদ্বান শরীফ-এ আদম সন্তানের প্রতিটি নেক আমল দশগুণ থেকে সাতাশ গুণ পর্যন্ত বাড়ানো হয়ে থাকে ।(বুখারী ও মুসলিম)
-রাসূল (স.) বলেছেন , যে লোক রমযান মাসে ঈমানসহ ছওয়াবের আশায় রোযা রাখবে তার পূর্ববর্তী গোনাহ মাফ হয়ে যাবে । (বুখারী মুসলিম)
-রোযাদারের মুখের গন্ধ মহান আল্লাহর নিকট কস্তুরির সুগন্ধ হতেও অতি উৎকৃষ্ট । (বুখারী)
-যে ব্যাক্তি রমযান ফেল অথচ নিজের গোনাহ মাফ করতে পারলো না , সে ব্যাক্তি ধ্বংস হক ।(বুখারী , তিরমিযি)
-ইফতারের সময় রোযাদার যখন দু’আ করে তখন তার দু’আ ফিরিয়ে দেয়অ হয় না । (তিরমিযী)
-জান্নাতের একটি দরজার নাম ‘রাইয়ান’ । রোযাদারকে এ দরজা দিয়েই ডাকা হবে । রোযাদার এ দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে । যে ব্যাক্তি েএ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে , সে কখনও পিপাসিত হবে না । (তিরমিযী)
-যে ব্যাক্তি আল্লাহর জন্য একদিন রোযা রাখে , আল্লাহ তাকে দোযখ থেকে সত্তর বছরের পথ দূরে রাখবেন । (বুখারী)
-হাদীসে কুদসিতে রয়েছে, আল্লাহ তা’আলা বলেন, সাওম আমার জন্য । আর আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব । (বুখারী ও মুসলিম)
রোযা বিশ্বাসী বান্দাদের জন্য ঢালস্বরূপ । রোযা সব রকম মানবিক বিপর্যয়কে ঠিকিয়ে লেখে এক সুস্থ ও গতিশীল জীবনযাপনের শক্তি জোগায় । এ শক্তি এক প্রকার আসমানি শক্তি, যা মহান ত্যাগী ও আত্মপ্রত্যাশী খাঁটি বান্দা তৈরি করতে সক্ষম ।

    জাতীয় অধ্যাপক বাংলাদেশের বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মানন[…]

    ১. মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিমরাষ্ট্র ছিল […]

    ১. কলম্বিয়া দেশটি কোন মহাদেশে অবস্থিত ?দক্ষিণ আমে[…]

    ১. বাংলাদেশ প্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ […]