Let's Discuss!

সাধারণ জ্ঞান বিষয়ক বিস্তারিত তথ্য
#7105
মাহহে রমযান গুরুত্ব ও ফযিলত
মাহে রমযান
’মাহে রমযান’ অর্থ রমযানের মাস । ‘রমযান’ শব্দটির আবি ‘রময’ থেকে এসেছে । ‘রময’ অর্থ দহন বা পোড়ানো । এ মাসে রোযা পালন করলে মানুষের মধ্য থেকে লোভ-লালসা , পাপ-পঙ্কিলতা ও হিংসা-বিদ্বেষ দূরীভূহ হয় । রোযা পালনকারী রমযানে তার সব পাপ মুছে ফেলার সুযোগ লাভ করেন । রমযান মাসে পালিত রোযাকেই রমযানের রোযা বলা হয় ।

রোযা
রোযা ফারসি শব্দ । এর আরবি প্রতিশ্বদ ‘সাওম’ বা ‘সিয়াম’ । এর আভিধানিক বা শাব্দিক অর্থ ‘বিরত থাকা’ । ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায় সাওম হলো সুবহে সাদক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোযা পালনের উদ্দেশ্য সকল প্রকার পানাহার এবং ইন্দ্রিয় তৃপ্তি থেকে বিরত থাকা ।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোযা ফরজ করে দেয়া হয়েছে যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল। আশা করা যায় এ থেকে তোমাদের মধ্যে তাক্বওয়ার গুণাবলি সৃষ্টি হবে ।’[সূর আল-বাকারা (আয়াত : ১৮৩)]
মাহে রমযানের পুরো এক মাসের রোযা তিনটি পর্বে বিভক্ত । প্রথম ১০ দিন রহমত , দ্বিতীয় ১০ দিন মাগফিরাত এবং তৃতীয় ১০ দিন নাজাতের সময় বলা হয় ।

পূর্ববর্তী নবী-রাসূলগণের রোযা
-হযরত আদম (আ.) প্রত্যক আরবি মাসের ১৩,১৪ ও ১৫ তারিখ রোযা রাখতেন । (কানযুল উম্মাল, ৮ম খণ্ড)
-হযরত নূহ (আ.) দুই ঈদ ছাড়া সবসময় রোযা রাখতেন । (ইবনে মাজাহ, ২য় খণ্ড)
-হযরত দাউদ (আ.) একদিন পরপর রোযা রাখতেন । (মুসলিম)
-হযরত সোলায়মান (আ.) মাসের শুরুতে তিন দিন , মাসের মধ্যভাগে তিন দিন, মাসের শেষ ভাগে তিন দিন রোযা রাখতেন । (কানযুল উম্মাল, ৮ খণ্ড)
-হযরত ঈসা (আ.) সবসময় রোযা রাখতেন , কখনও রোযা ছাড়তেন না ।(মুসলিম)

    -১২ মার্চ ২০২১ জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য জনসন […]

    ফাইজপার ও মডার্নার পর যুক্তরাষ্ট্রের করেনারার তৃতী[…]

    -যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশ হেফাজতে মারা যাওয়া কৃষ্ণাঙ্গ[…]

    -সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিষেধ[…]