Let's Discuss!

বিষয় ভিত্তিক প্রস্তুতি : ইংরেজী ভাষা ও সাহিত্য
#2663
ইংরেজী আমাদের আন্তর্জাতিক ভাষা, তাই যেকোনো গুরুত্ব অবস্থানে আমাদের এই ভাষা ব্যবহার করতে হয় এবং কিছুদিন পরেই হয়তো হবে। তবে এই ভাষা ব্যবহারে আমাদের অনেক সময় জড়তা কাজ করে ভালো গ্রামার বা, প্রয়োজনীয় বিষয় জানা সত্ত্বেও। সেটা দুর করা অতিব জরুরী।

প্রথমেই আসি বলা আর লেখার মধ্যে পার্থক্য নিয়ে। আপনি একটা কথা লিখতে যদি ১ মিনিট সময় লাগে তবে সেটা বলতে লাগবে ১৫ সেকেন্ড। তাই আমরা বাঙালী হিসেবে যতই সুন্দর ও তাড়াতাড়ি করে একটা প্যারাগ্রাফ লিখিনা কেনো, নেটা বলতে আমাদের অনেক সময় লাগবে এবং কিছুক্ষণ পরে তা জড়ায়ে যাবে। কিন্তু চিন্তা করেনতো, বাংলার ক্ষেত্রে কি এমনটা হয়? না, হয়না।

আমরা বাংলা বলার সময় আমাদের মাথায় কখনোই এর অপারগতা নিয়ে প্রশ্ন আসেনা। কখন আসে? যখন আপনি কোনো স্টেজে উঠে কথা বলবেন আর বুঝতে পারবেন যে এখানে একটা ভূল কথা বললে আপনার বিপদ আছে। তখন দেখবেন আপনার বাংলাও ইংরেজীর মতো হয়ে গেছে।

একটা বাঘ যখন একটা হরিণকে ধরতে যায় তখন সে আর পিছনে তাকাইনা, একারনে তার গতি কিছুটা হলেও বেড়ে যায়। কিন্তু, একটা হরিণ যখন দৌড়ায় তখন তাকে বারবার পিছনে তাকাতে হয় যা তা গতি কিছুটা হলেও কমে যায়। ভাষার ক্ষেত্রেও একই বিষয়। আপনার আত্মবিশ্বাসই আপনার বলার গতি বাড়িয়ে দেবে।

আমাদের ব্রেন ৩ অবস্থায় বলে/ কাজ করে
1)conscious, এটা হলো যখন মানুষ তার পুরো হুশ নিয়ে বলে। যেমন, ইংরেজী(বিদেশী ভাষা) বলা। এসময় আপনাকে বারবার চিন্তা করতে হয় কথাটা ঠিক হচ্ছে কিনা, যেমনটা বক্তৃতার সময়।

2)subconscious, এটা হলো হুশ আর বেহুশের মাঝামাঝি। যেমন, নিজ মাতৃভাষা বলা। এসময় আপনি সয়ংক্রীয়ভাবে কথা বলেন অর্থাৎ নিজেকে তেমন চিন্তা করতে হয়না। এটা অভ্যাস থেকে হয়।

3)unconscious, এটি হয় অচেতন অবস্থায়। যেমন ঘুমের মধ্যে।

তাই, ইংরেজী বলার বলার সময় নিচের বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে,

১) আত্মবিশ্বাসি হওয়া,

২) বেশী ভোকাবুলারি জানা। কারন, আপনি অনেক গ্রামার জানলেও যদি কথা প্রকাশ করতে না পারেন তবে তা কাজে আসবেনা। যেমন, আপনি যদি বলেন, please give me a chicken, আর যদি বলেন chicken please, তবে একই অর্থ দাড়াবে। এখানে মুরগির ইংরেজীটা না জানলে আপনি বলতেই পারবেন না।

৩) high frequently used শব্দগুলো এখন থেকে এখন থেকে ইংরেজীতেই প্র্যাকটিস করুন, যাতে subconsciously আপনার মুখ থেকে ইংরেজীটাই বেরোই। যেমন, একজন লোকের কথার অর্থ নির্দিষ্ট না, তাহলে বলুন যে, তার কথার অর্থটা equivocal/ambiguous (দ্ব্যর্থবোধক)।

৪) আপনার ইংরেজী বলার একটা স্টাইল তৈরী করুন যাতে কথা মনে না আসলেও আপনার মুখ দিয়ে কিছু বেরোই। যেমন:- This is actually ----, You know---, There is a ----, most of the people----, I think-----, আপনি ইউটিউবে কোনো ব্রিটিশ/ আমেরিকানদের ভিডিও দেখলে দেখবেন যে, আমরা ভারতীয় উপমহাদেশের লোকজন যতক্ষণে ফ্লুয়েন্টলি ১০টা কথা বলি, ততক্ষণে ওরা ৫ টা বলে।

৫) এখন থেকে ইংরেজী থেকে বাংলা নয়, বরং বাংলা থেকে বেশী করে ইংরেজীর ভোকাবুলারি পড়ুন। যেমন, আপনি বলতে চাচ্ছেন যে, সে খুব উদার, কিন্ত, উদারের অর্থ মাথাই আসছেনা, শুধু মনে আসছে- good, well, ---, কিন্তু, আপনি জানেন যে benevolent মানে উদার। ইত্যাদি।

Collected
Similar Topics

প্রথম আলো থেকে সংগৃহীত ##দেশ# ১) ২০০০ থেকে ২০১৮ স[…]

১. বাংলাসাহিত্য কত বছর ধরে রচিত হচ্ছে? - হাজার বছে[…]

৩০১ যে নারীর হাসি সুন্দর সুস্মিতা ৩০২ যে পরের গুণে[…]

২৫১ যে অগ্র-পশ্চাৎ চিন্তা না-করে কাজ করে অবিমৃশ্যক[…]