Let's Discuss!

সাধারণ জ্ঞান বিষয়ক বিস্তারিত তথ্য
#6969
প্রত্যুষে জাগরণ, জীবনে আলোড়ন
সকাল সবার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ । সকালই নির্ধারণ করে সারাদিনটি কেমন যাবে । সকালের শুরুটা তাই এমনভাবে হওয়া উচিত যাতে পুরো দিনটি ভালো কাটে । তবে ঘুম থেকে দেরিতে উঠায় এটি কখনো কারো জন্য সুখকর হয় না । সফল ব্যক্তিদের বেশির ভাগই তাই সকালেই ঘুম থেকে উঠে । নিচে উল্লেখিত দিকগুলো মেনে চললে এক্ষেত্রে সহজেই দৈনন্দিন জীবন বা কর্মক্ষেত্রে সফলতা লাভ করা সম্ভব -
সকালে উঠার সময় নির্ধারণ করা :
যখন উঠতে চান, সেটা নির্ধারণ করে রাখুন । এক্ষেত্রে লক্ষ্য স্থির না করলে সময়মত ঘুম থেকে উঠা সহজ হয় না ।
দিনের কাজের তালিকা দেখে রাখা :
সকালে করতে হবে এমন কাজের তালিকা করুন । এর ফলে আপনার ঘুম থেকে ওঠার প্রেরণা তৈরি হবে ।
যথাসময়ে রাতের খাবার গ্রহণ করা :
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত এক-দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেতে হবে । রাতের বেলা ভারী খাবার এড়িয়ে চলতে হবে । কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করতে হবে । এত হজমে সুবিধা হবে ।
ঘরের পরিবেশ যথাযথ রাখা :
রুমে শান্ত পরিবেশ তৈরি করুন । দেখবেন সঠিক সময়েই ঘুমাতে পারবেন । সকালে যাতে ঠিকমত সূর্যের আলো বা রোদ এস পড়ে সেজন্য প্রয়োজনে কিছু আলো আসার ব্যবস্থা রাখতে হবে ।
রাতে চা-কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকা :
রাাতে খাবার গ্রহণের আগে বা পরে চা-কফি থেকে দূরে থাকতে হবে । এটি ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে । তবে প্রতিদিন সকালে এক কাপ কড়া চা বা কফি নিন যা মনকে সতেজ করবে ।
ঘুমানের পূর্বে মোবইল ফোন ব্যবহার না করা :
ঘুমানোর সময় মোবাইল ঘাঁটাঘাঁটির অভ্যাস থাকলে তা বাদ দিতে হবে । অন্যান্য গ্যাজেটও দূরে রাখতে হবে । এগুলো ঘুম কেড়ে নিতে পারে ।
ঘুমাতে যাওয়ার আগে মনের ওপর চাপ না নেওয়া :
ঘুমাতে যাওয়ার আগে পরদিন সকালে তাড়াতাড়ি উঠতে হবে বলে মনের ওপর অতিরিক্ত চাপ দেওয়া যাবে না । এত ঘমাতে দেরি হবে ।
পরিমিত ঘুমের অভ্যাস গড়া :
সারাদিন কাজ করার জন্য প্রয়োজন শক্তি, আর এজন্য সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন হলো পরিমাণ মতো ঘুম । একজন ব্যাক্তির প্রত্যহ গড়ে সাত ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন । তাই এমনভাবে ঘুমাতে যাওয়া উহিত যাতে নিরবিচ্ছিন্নভাবে সে পরিমাণ ঘুম সম্পন্ন হয় ।
অ্যালার্ম ঘড়ি বিছানা থেকে দূরে রাখা :
ভোরে ঘুম থেকে উঠতে ঘড়ি বা মোবইল ফোনে অ্যালার্ম দিলে তা বিছানা থেকে দূরে রাখতে হবে । যাতে অ্যালার্ম বন্ধ করার জন্য বিছানা থেকে উঠে যেতে হয় । আর এটি ঘুম দূর করতে সাহায্য করবে ।
সকালে হাঁটার অভ্যাস :
সকালে নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে সজীব রেখে কর্মদক্ষতা বাড়িয়ে দেয় । একই সাথে মনের উপর একটি সুন্দর প্রভাব ফেলে , যা দিনকে উৎফুল্লভাবে শুরু করতে সাহায্য করে ।
পরিমিত ব্যায়াম করা :
প্রতিদিন সকালে অন্তন ১৫ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে । এটি শরীরের টিস্যুগুলোতে অতিরিক্ত অক্সিজেন সরবরাহ করবে । যা সারাদিন অনেক বেশি শক্তি নিয়ে কাজ করতে সাহাজ্য করবে । এক্ষেত্রে নামাজ আদায়ও ব্যায়ামের উত্তম বিকল্প হতে পারে ।
স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ :
সকালে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ না করলে সারাদিনের কাজের জন্য শক্তি পাওয়া যাবে না । প্রতিদিন সকালে থাকারের তালিকায় প্রচুর পরিমাণে আমিষ এবং শর্করার সমন্বয় প্রয়োজন ।
    Similar Topics
    TopicsStatisticsLast post
    0 Replies 
    551 Views
    by rajib
    1 Replies 
    782 Views
    by fency
    0 Replies 
    610 Views
    by sakib
    0 Replies 
    539 Views
    by rekha
    0 Replies 
    467 Views
    by tumpa

    -১২ মার্চ ২০২১ জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য জনসন […]

    ফাইজপার ও মডার্নার পর যুক্তরাষ্ট্রের করেনারার তৃতী[…]

    -যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশ হেফাজতে মারা যাওয়া কৃষ্ণাঙ্গ[…]

    -সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিষেধ[…]