Let's Discuss!

সাধারণ জ্ঞান বিষয়ক বিস্তারিত তথ্য
#3314
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মৎস সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের জিডিপিতে মৎস খাতের অবদান ৩.৬১ শতাংশ। এ খাতের একটি বিরাট অংশজুড়ে রয়েছে দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ। অবশ্য এরা নানা কারণে বিলুপ্তপ্রায়। প্রাচীনকাল থেকে এসব মাছের চাহিদা দেশের জনগোষ্ঠীর খাদ্য তালিকায় অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং সহজলভ্য পুষ্টির উৎস হিসেবে বিবেচিত। মাছগুলোতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, ও আয়োডিনের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ।এগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে । বাংলাদেশের মিঠা পানির ২৬০টি প্রজাতির মাছের মধ্যে ৬৪টি বিলুপ্তপ্রায়। বিগত কয়েক দশকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি জলাশয় সংকোচন, অপরিমিত পানি ব্যবহার , কৃষিকাজে কীটনাশক ব্যবহার, পানি দূষণ এবং অতি আহরণের ফলে বা পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে প্রাকৃতিক জলাশয়ের মাছ ক্রমে অনেক হ্রাস পায়। অথচ প্রাকৃতিক জলাশয়ে অনেক ছোট প্রজাতির মাছ আবহমান কাল থেকে গ্রামীণ দরিদ্র মানুষের পুষ্টির জোগান দিয়ে আসছিল। মিঠা পানির ২৬০টি প্রজাতির মাছের মধ্যে ১৪৩টি ছোট মাছ। দেশের মৎস উৎপাদনে ছোট মাছের অবদান ৩০-৩৫%। ময়মনসিংহের বাংলাদেশ মৎস গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে বিলুপ্তপ্রায় মাছের প্রজাতির অনেকগুলোই বর্তমানে ফিরছে চাষির খামারে কিংবা খাল-বিল-নদী-নালায়। দেশের মানুষের খাদ্য তালিকায় যুক্ত হয়েছে মাছগুলো। প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞানীরা বিলুপ্তপ্রায় মৎস প্রজাতির ওপর গবেষণা করে এরই মধ্যে ২৩টি মাছের পোনা উৎপাদন ও চাষাবাদ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন। এতে অনেক মাছ পাওয়া যাচ্ছে এবং এর মূল্য সাধারণ ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। মাছ ২৩টি হলো: ১.পাবদা ২.গুলশা ৩.টেংরা ৪.শিং ৫.মাগুর ৬.গুজি আইড় ৭.চিতল ৮.ফলি ৯.মহাশোল ১০.বৈরুলী ১১.রাজপুঁটি ১২.মেনি ১৩.বালাচাটা ১৪.গুতুম ১৫.কুঁচিয়া ১৬.ভাগনা ১৭.খলিশা ১৮.বাটা ১৯.দেশি সরপুঁটি ২০.কালিবাউশ ২১.কই ২২.গজার ও ২৩.গনিয়া।

    ১. ডিজিটাল প্রতারণার সাজা ৫ বছর বা ৫ লক্ষ বা উভয় […]

    ১. বিশ্বে চার ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু রয়েছে[…]

    ১. ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠিত[…]

    যদি স্বাধীনতা বলতে কিছু বোঝায়, তবে এর অর্থ লোকেরা[…]