Try bdQuiz for Free!

চাকরি প্রর্থীদের সমস্যা, প্রশ্ন, মতামত এবং বিভিন্ন পেশা সর্ম্পকে আলোচনা, অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ
#2742
🎯বেসিক গ্রামার (Clause এর উপরে ফোকাস করবেন বেশী) এবং রাইটিং এর প্রিন্সপলস গুলো আয়ত্বে নিয়ে নিন প্রথমেই। দুই সপ্তাহ সময় নিতে পারেন এগুলোর উপরে দখল আনতে।

🎯লেখাগুলোকে ফিড দেওয়ার জন্য পড়ার অভ্যাস করতে হবে প্রচুর। একটা টপিক যদি সম্পূর্ণ আননোন মনে হয় আপনার কাছে তাহলে সেবিষয়ে লেখা সম্ভব না মোটেই। এজন্য দিন-দুনিয়া সম্বন্ধে একটু জানতে হবে। আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতের টপিকগুলো সম্পর্কে জানতে লোকাল নিউজপেপারগুলোর হেড নিউজ এবং সম্পাদকীয় পড়তে পারেন। ইন্টারন্যাশনাল ইভেন্টগুলো সম্পর্কে জানতে বিশ্বের নামকরা নিউজপেপার এবং ম্যাগাজিনগুলোর
ফেসবুক পেইজে সাবসক্রাইব (সি ফার্স্ট আপশন চালু রাখলে ভালো হবে) করে রাখতে পারেন।

🎯প্রচুর প্র্যাকটিস করতে হবে। এটার কোন বিকল্প নেই, কোন বিকল্প নেই, কোন বিকল্প নেই!

দুনিয়াব্যাপী বহুল ব্যবহৃত একটা মেথড ফলো করতে পারেন এক্ষেত্রেঃ

📌প্রতিদিন একটা করে টপিক সিলেক্ট করবেন। এমন একটা টপিক যেটার উপরে এর আগে অন্য কারো লিখে দেওয়া রাইটিং মুখস্থ করেননি আপনি। সেই টপিকের উপরে ১০ লাইনের একটা রাইট-আপ রেডি করবেন। সময় ১৫ মিনিট। ১৫ মিনিট মানে ১৫ মিনিট। ১ সেকেন্ড ও বেশী না। মনে করবেন ১৫ মিনিট পরে ইনভিজিলেটর আপনার খাতা কেড়ে নিয়ে গেছে। এই ১৫ মিনিটের মধ্যে ৩ মিনিট বরাদ্ধ থাকবে রাইট-আপ টার আউটলাইন প্রস্তুতিতে। ১২ মিনিট সময় লিখতে।

📌লেখা শেষ হলে আপনিই চেক করবেন আপনার খাতা। আগেই একটা নম্বর বরাদ্ধ বরাদ্ধ করবেন লেখাটির জন্য। যদি এই নম্বর হয় ২০, তাহলে আপনি ২০ এর মধ্যে কতো পান সেটা চেক করবেন। আপনি নিজেই পরীক্ষার্থী, আপনি নিজেই শিক্ষক। নম্বর দেওয়ার সময় নিজের খাতা বলে বায়াসড হবেন না কখনোই। আমার মেন্টর একটা কথা সবসময়ই বলেন, "সবচেয়ে বড় প্রতারণা হলো নিজের সাথে প্রতারণা।"

📌এবার নিজেই নিজেকে ছাড়িয়ে যাবার পালা। লেখার জন্য যদি সময় বরাদ্ধ থাকে ১৫ মিনিট, তাহলে রাইট-আপটি রিভিউ করার জন্য সময় নিন আরও ৩০ মিনিট। চেক করে দেখুন কোথায় কোথায় গ্রামেটিক্যাল মিসটেইক হয়েছে, কোথায় স্ট্রাকচারাল মিসটেইক; ২ নম্বর লাইনে যে বাক্যটি লিখেছেন তা ২ নম্বর লাইনে না লিখে ৩ নম্বর লাইনে লিখলে আরও আরও ভালো হতো কিনা। আরও কি কি ইনফরমেশন অ্যাড করা যেতে পারে সেগুলো আইডেন্টিফাই করে অ্যাড করে নিতে পারেন। সব কিছু কিন্তু ওই ১০ লাইনের মধ্যেই। সাইজ ঠিক রেখে কোয়ালিটির প্রতি নজর দেবেন শুধু। Clause ব্যবহার করে লাইনগুলোকে কিভাবে রিচ করা যায় আরও সেদিকে ফোকাস করবেন শুধু।

📌একই টপিকের উপরে এভাবে টানা ৪/৫ দিন লিখবেন। প্রতিদিনই নিজেকে ছাড়িয়ে যাবেন নিজেকে। শেষ দিন যখন লেখা শেষ করবেন সেদিন দেখবেন রিভিউ করে আলমোস্ট কোন ভুলই পাচ্ছেন না। এইভাবে চালাতে থাকেন ৬ মাস। ৬ মাসে আপনি প্রায় ৪০-৫০ টি টপিকের উপরে লেখা প্র্যাকটিস করতে পারবেন। নিজের লেখা। অন্যের ব্রেইন থেকে বের বের হওয়া লেখা ধার করা না।

🎯সপ্তাহে একদিন পরীক্ষা দেওয়ার জন্য একটা ফুল সেট প্রশ্ন বানাবেন। যাদের ব্যাংক জব টার্গেট তারা স্ট্যান্ডার্ড প্রশ্নের আদলে আর যাদের আইবিএ'র এমবিএ টার্গেট তারা সেই আদলে প্রশ্ন বানাবেন৷ স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী নিজেই মার্ক ডিস্ট্রিবিউশন সেট করে নেবেন। বাসায় দরজা বন্ধ করে অথবা ৩-৪ জন ফ্রেন্ডস মিলে একসাথে এক্স্যাক্টলি পরীক্ষার হলের এনভায়রনমেন্ট ক্রিয়েট করে পরীক্ষা দেবেন। টাইম শেষ হওয়ার সাথে সাথে লেখা বন্ধ; মনে করবেন ইনভিজিলেটর খাতা কেড়ে নিয়ে গেছে।

📌এবার একেকজন অন্যজনের খাতা চেক করবেন যেন কোন বায়াসনেস না থাকে। সবাই মিলে একটা খাতা ব্যবচ্ছেদ করবেন- কোথায় কি ভুল আছে, কোথায় কোথায় আরও ইমপ্রুভ করা যেতো সব।

📌পরীক্ষা দেওয়ার সময় অবশ্যই ফোকাস করবেন যেন সব প্রশ্নের উত্তর এনশিওর করতে পারেন। একটা লেখার কনটেন্ট খুব রিচ করতে গিয়ে সেটার পিছনেই অর্ধেক সময় ব্যয় করে অন্য দুইটা প্রশ্ন মিস করে আসার বোকামী করবেন না। বরং ফোকাস করবেন যেন এভারেজ মানের লেখা দিয়ে হলেও সব প্রশ্নের উত্তর এনশিওর করতে পারেন সেদিকে। একটা লেখা খুব রিচ হলে সেটাতে আপনি ১০ এর মধ্যে ১২ পাবেন না। এভারেজ লিখে যদি ৬ পাওয়া যায় তাহলে যে দুইটা লেখা ছেড়ে দিয়েছেন সেগুলো লিখলে আরও ১২ মার্কস পেতেন। একটা লেখা রিচ হলে সেখানে বড়জোর ৬ এর জায়গায় ৮ পাবেন।

🎯যা যা করবেন নাঃ

📌খুব রিচ ভোকাব্যুলারি ইউজ করার অভ্যাস করবেন না। যিনি আপনার খাতা দেখবেন তিনি নিজেই যদি আপনার ১০ লাইন লেখার মধ্যে ১০ টা আননোন ওয়ার্ড পান, তাহলে উনি খুশী হওয়ার বদলে বিরক্ত হবেন। উনার এতো সময় নেই যে এসব ওয়ার্ড ডিকশনারি খুঁজে চেক করে নেবেন। জিআরই'র টাফেস্ট ওয়ার্ড গুলো ব্যাংক জব/আইবিএ'র রাইট-আপ গুলোতে ইউজ করতে যাওয়াটা আপনাদের বোকামী ছাড়া কিছুই না।

📌অন্যের লেখা রাইট-আপ মুখস্থ করবেন না। আপনি যেটা অনলাইনে পাচ্ছেন সেটা আরও হাজার জন পাচ্ছে। এক্সামিনার যখন দেখবে একই পরীক্ষায় ২০০ জন একই লেখা লিখেছে উনার এটা বুঝে নিতে বেগ পেতে হবেনা যে সবাই একই সোর্স থেকে মুখস্থ করেছে লেখাটা৷ এতে দুইটা খারাপ জিনিস হবে...এক, আপনার ক্রিয়েটিভিটি নষ্ট হবে আস্তে আস্তে এবং দুই, আননোন টপিকের উপরে প্রশ্ন চলে আসলে আপনি পুরোটাই ধরা খাবেন। আপনি বড়জোর আরেকজনের তৈরী করা রাইট-আপ থেকে তথ্যগুলো এক্সট্রাক্ট করে নিতে পারেন, দয়া করে মুখস্থ করতে যাবেন না সেটা।

তাহলে শুরু করে দেন আগামী ৬ মাসের প্রোজেক্ট। নিজেই নিজেকে চ্যালেঞ্জ করার, নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রোজেক্ট!

    প্রাচীন বাংলার সীমা উত্তরে: হিমালয় পর্বত, নেপাল, […]

    ১৯৭১ এ বাংলাদেশ পশ্চিম পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা লা[…]

    চাকরি পাওয়া বর্তমান সময়ের সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর […]

    পড়াশোনার শেষ ধাপে এসে সবাই চিন্তিত হয়ে পড়েন ক্য[…]

    bdQuiz খেলতে খেলতে নিজের প্রস্তুতি পরীক্ষা করুন