চাকরি প্রর্থীদের সমস্যা, প্রশ্ন, মতামত এবং বিভিন্ন পেশা সর্ম্পকে আলোচনা, অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ
#1963
ধরে নিলাম আপনি চাকরি করছেন,হয়ত ছোট কোন পোস্ট, আপনি একটা ব্যাংকের চাকরী চাচ্ছেন।আপনার সারাদিন অফিস করে টাইম হয়ে উঠছে না পড়াশোনার।

ফার্স্ট যেটা ভাল করে মাথায় ঢুকায়া নেন যে বর্তমানে আপনি যা করছেন তাতে আপনি সন্তুষ্ট না। "আপনি আরো ভাল করতে চান" এই লাইনটা মাথায় ভাল করে গেথে নিয়ে এরপর পড়াশোনা শুরু করেন।

আপনার হয়ত সকাল আটটা থেকে রাত অবদি অফিস।আপনার পড়াশোনার স্টাইল একজন বেকারের পড়াশোনার স্টাইলের সাথে ম্যাচ করবে না। একজন বেকার সারাদিন রাত পড়াশোনা করতে পারে,কিন্তু আপনার জন্য টাইম বরাদ্ধ সারাদিনে ৩-৪ ঘন্টা।

আপনাকে প্রথম এই ৩-৪ ঘন্টায় কোয়ালিটিফুল পড়াশোনা করতে হবে।রাতে দেড় দুই ঘন্টা সকালে দেড় দুই ঘন্টা।কিন্তু আপনি এই দুই ঘন্টা এমনভাবে পড়েন যাতে দুই ঘন্টার পড়াশোনা সারাদিনের হালকা পাতলা পড়াশোনার চেয়ে অনেক বেশী কোয়ালিটি সম্পন্ন হয়।কোয়ালিটি বলতে মোবাইলটা দূরে রাখেন, খাতা কলম নিয়া বসেন।জাস্ট চিন্তা করেন এক ঘন্টায় আপনি কি কি পড়ার টার্গেট করেছেন।হতে পারে ৫০টা ম্যাথ করবেন, ২ পাতা অনুবাদ করবেন, বিগত সালের ১০টা প্রশ্ন সলভ করবেন।কিন্তু টার্গেট ফুল করে এরপর ঘুমাতে যান।

আপনার যেহেতু বাসায় পড়ার টাইম নাই, মোবাইলটাকে পড়ার টেবিল বানায়া নেন।সব গুরুত্বপূর্ন জিনিসের পিডিএফ নামায়া নেন। বা বাসা থেকে বের হওয়ার আগে কয়েক পাতা ছবি তুলে নেন, সেইটাই সারাদিন যখন সময় পান তখনি দেখতে থাকুন।

ভোকাবুলারী মুখস্ত করার অনেক এপ আছে,একটা নামায়া প্রতিদিন যাত্রাপথে ১০-১২টা ওয়ার্ড মুখস্ত করেন। অফিসের কাজের ফাকে ইন্ডিয়ান বিভিন্ন ওয়েবসাইট(Examveda, sawal ইত্যাদি) থেকে ৪-৫টা ম্যাথ করে ফেলুন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন একটা নোট খাতা বানায়া ফেলুন।ফেসবুক স্ক্রল করার সময়,বা পত্রিকা পড়ার সময় যেসব গুরুত্বপূর্ণ ডাটা থাকে সেগুলা একটু সময় ফেলেই নোট করেন।বিভিন্ন ইকোনোমিক ডাটা যেমন জিডিপি গ্রোথ, ফরেন ইনকাম, ফরেন ইনভেস্টমেন্ট, বাজেট, গার্মেন্টস সেক্টর,ব্যাংকিং সেক্টর ডেভেলাপমেন্ট রিলেটেড ডাটা বা চার্ট যা কিছু পাবেন সেটাই একটু করে নোট করে রাখেন।রিটেনে যায়া এগুলা রচনার মিধ্যে দুই চারটা ঢুকাইতে পারলে আপনার চেয়ে ভাল মার্ক কেও পাবে না।

ছোট সাইজের কিছু বই(কারেন্ট এফেয়ার্স বা ইজি কম্পিউটার ) ব্যাগে বা অফিসের ড্রয়ারে রেখে দেন।সারাদিনে ৩০ মিনিট টাইম পাইলেও আপনি ৫-১০ পৃষ্টা পড়তে পারবেন। ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে যেসব ম্যাথ অনেকেই পোস্ট করে সেটাই এক টুকরা কাগজে দেখুন সলভ করা যায় কিনা।

অনুবাদ, রিটেন এর জন্য বড় বড় ম্যাথ এগুলা দেখার জন্য বাসার রাতের টাইমটা বরাদ্ধ রাখেন। মুখস্ত করা লাগবে এমন বিষয়(বাংলা, সাধারণ জ্ঞান, কম্পিউটার) এর জন্য ভোরে এক দেড় ঘন্টা পড়েন। নোট খাতায় যে ডাটাগুলো লিখেছেন সেগুলাই সকালে ৫-১০ মিনিট রিভিশান দেন।

আপনার তুরুপের তাস হইল ছুটির দিনটা।এক সপ্তাহ যা পারেন নাই,যেটুকো লেকিংস ছিল,যা পড়া বাকি ছিল সেটা এই ছুটির দিনে পুষায়া দেন।

একটু টেকনিক খাটায়া পড়াশোনা করেন।গত বছরের সবগুলা প্রশ্ন দেখেন।কি কি ক্রিয়েটিভ রাইটিং বা বাংলা রচনা আসছে, সেগুলা লিখতে কি কি তথ্য উপাত্ত দরকার সেগুলা খুজে খুজে নোট করে রাখেন। ম্যাথে আপনার কোন চ্যাপ্টারে বেশী দুর্বলতা সেটা নিয়ে একটু বেশী পরিশ্রম করেন। ইংলিশ অনুবাদে দুর্বলতা থাকলে প্রতিদিন এক পাতা অনুবাদ করেন

ভাই আপনার চাকরী পাওয়ার আগ্রহটা যদি থাকে আপনি চাকরী পাবেন ই।ব্যাংকের সিলেবাস তো বিসিএস এর মত বিশাল কিছু না।জাস্ট ম্যাথ আর ইংলিশটাই আপনি ভাল হইলেই চাকরী পেয়ে যাবেন। এটার জন্য সারা দিন রাত পড়াশোনা করা লাগে এমন কিছু না।

বিঃদ্রঃ নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখা।নিজে যেভাবে করেছি এবং ৩টা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার হিসেবে মনোনীত হয়ে সফলতা অর্জন করেছি,সেটাই আপনাদের জন্য বলা। ধন্যবাদ

collected

০১. mathematics শব্দের উৎপত্তি গ্রিক শব্দ mathema […]

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তনঃ - কৃষিকার্যে প[…]

বাংলাদেশের পরিবেশঃ - ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে[…]

অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ - এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম […]

মোবাইল থেকে বিডিচাকরি খুব সহজে ব্যবহার করার জন্য