Let's Discuss!

বাংলা ব্যাকরণ বিষয়ক আলোচনা
#6236
৬.বিস্ময়সূচ অব্যয় ব্যতীত বাংলা কোনো শব্দের শেষে বিসর্গ থাকবে না। যেমন-
অশুদ্ধ – শুদ্ধ
কার্যতঃ – কার্যত
বিশেষতঃ – বিশেষত
প্রায়শঃ – প্রায়শ
প্রথমতঃ – প্রথমত

৭.কোনো শব্দের শেষে যদি ঈ কার থাকে, সেই শব্দের সঙ্গে জগৎ, বাচক, বিদ্যা, সভা, ত্ব, তা, নী, ণী, পরিষদ, তত্ত্ব ইত্যাদি যুক্ত হয়ে যদি নতুন শব্দ গঠন করে, তবে পূর্ববর্তী শব্দের ঈ-কার নবগঠিত শব্দে সাধারণত ই-কারে পরিণত হয়।
যেমন:
প্রাণী+বিদ্যা = প্রাণিবিদ্যা
মন্ত্রী+সভা= মন্ত্রিসভা
কৃতী+ত্ব =কৃতিত্ব
প্রতিদ্বন্দ্বী+তা = প্রতিদ্বন্দ্বিতা
সঙ্গী+নী = সঙ্গিনী

৮.শব্দে ঊর্ধ্বকমা ও হসচিহ্ন যথাযথ বর্জন করা হবে।
অশুদ্ধ – শুদ্ধ
হ’ল – হল
দু’টি – দুটি
তা’র – তার
চট্=চট
চেক্=চেক
করব্=করব

৯.অদ্ভত এর ভূত ব্যতীত আর সব ভূত এ ঊ-কার হবে। যেমন- অভিভূত, একীভূত, আবির্ভূত, দ্রবীর্ভূত, অভূতপূর্ব, বশীভূত, সম্ভূত, পরাভূত, অঙ্গীকার ইত্যাদি ।

১০.সন্ধিতে প্রথম পদের শেষে ম্ থাকলে ক বর্গের পূর্বে ম্ স্থানে ং লেখা হবে। যেমন:
অহংকার, ভয়ংকর, সঙ্গীত।
অন্যান্য ক্ষেত্রে ক খ গ ঘ এবং ক্ষ এর পূর্বে নাসিক্য বর্ণ যুক্ত করার জন্য সর্বত্র ঙ্ লেখা হবে। যেমন:
অঙ্ক, আকাঙ্ক্ষা

১১.বিশেষণবাচক ‘আলি’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দের-ই কার হবে।
অশুদ্ধ – শু্দ্ধ
বর্ণালী – বর্ণালি
রূপালী – রুপালি
সোনালী – সোনালি
    Similar Topics
    TopicsStatisticsLast post
    1 Replies 
    86 Views
    by anwar
    0 Replies 
    64 Views
    by Asifjnu
    1 Replies 
    87 Views
    by zahangir
    0 Replies 
    122 Views
    by Azizcu1990
    0 Replies 
    128 Views
    by Azizcu1990