Let's Discuss!

বাংলাদেশ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান
#3841
পরিবেশ দূষণ ৪ প্রকার – ক.পানিদূষণ খ.বায়ূদূষণ গ.মাটি দূষণ ঘ.শব্দ দূষণ
দুই স্ট্রোকবিশিষ্ট ইঞ্জিন নিষিদ্ধ করা হয় কারণ – দুই স্ট্রোকবিশিষ্ট ইঞ্জিনে বায়ূদূষণ বেশি হয়।
গাড়ি থেকে নির্গত কালো ধোয়ায় যে বিষাক্ত গ্যাস থাকে – কার্বন মনোক্সাইড
ঢাকা মহানগরীতে টু-স্ট্রোক যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করা হয় – ১ জানুয়ারি ২০০৩ সালে
ঢাকা শহরের বায়ুতে একটি ধাতব মৌল মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে পাওয়া যায় তা হলো – সিসা
স্মোগ (SMOG) (SMOG=SMOKE+FOG) – SMOG হচ্ছে এক ধরনের দূষিত বায়ু। যান্ত্রিক পরিবহণ ও শিল্পকারখানার দূষণ থেকে SMOG এর সৃষ্টি হয়। SMOG এর ফলে উদ্ভিদ ক্ষতিগ্রন্থ হয়, মানবচোখের ক্ষতি করে এবং মানবদেহে শ্বসনসংক্রান্ত সমস্যা সৃষ্টি করে।
বাপা (BAPA) – Bangladesh Poribesh Andolon ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
পলিথিন ব্যবহার ক্ষতিকর কারণ – ব্যবহারের পর পরিত্যক্ত পলিথিন মাটিতে বা পানিতে পচে না। ফলে এটি দীর্ঘকাল অপরিবর্তিত থেকে মাটি ও পানি তথা পরিবেশের ক্ষতি করে।
ঢাকা শহরে পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয় – ১ জানুয়ারি ২০০২
চট্টগ্রাম নগরীতে পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয় – ২১ ফ্রেব্রুয়ারী ২০০২
সারাদেশে পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয় – ১ মার্চ ২০০২
শব্দদূষণের ফলাফল – উচ্চরক্তচাপ হতে পারে। শব্দদূষণের মাত্রা ১০৫ ডিবির বেশি হলে মানুষ বধির হয়ে যেতে পারে।

বাংলাদেশের নদীবন্দর
নদীবন্দর হলো নদীর তীরে গড়ে ওঠা স্থান বা স্থাপনা, যেখানে নৌযানে চলাচলকারী যত্রী ও পন্য ওঠানামা করানো হয়। গ্রিক পন্ডিত টলেমির মানচিত্রে বাংলায় ‘তমলিটিস’ নামে একটি বন্দর নগরীর উল্লেখ পাওয়া যায়। যেটি প্রাচীন বাংলার তাম্রলিপি বা তাম্রলিপ্ত বন্দরেরই অন্য নাম বলে মনে করা হয়। The Ports Act. 1908 -এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার নদীবন্দর ঘোষণা করে থাকে। ১৯৬০ সালে তৎকালীন পূর্ভ পাকিস্তানে প্রথম ৬টি স্থানকে নদীবন্দর ঘোষণা করা হয়। দেশের ৩৩ টি ঘোষিত নদীবন্দর হলো –
১.নারায়নগঞ্জ, ২.ঢাকা, ৩.চাঁদপুর, ৪.খুলনা, ৫.বরিশাল, ৬.টঙ্গী। এই ছয়টি বাংলাদেশের প্রথম ঘোষিত নদীবন্দর। ৭.পটুয়াখালী, ৮.বাঘাবাড়ী, ৯.আরিচা, ১০.দৌলতদিয়া, ১১.নগরবাড়ী, ১২.নরসিংদী, ১৩.ভোলা, ১৪.মাওয়া, ১৫.মীরকদিম, ১৬.নওয়াপাড়া, ১৭.বরগুনা, ১৮.আশুগঞ্জ-ভৈরববাজার, ১৯.চর জানাজাত, ২০.ছাতক, ২১.মেঘনাঘাট নদী, ২২.কক্সবাজার, ২৩.ঘোড়াশাল, ২৪.ফরিদপুর, ২৫.শিমুলিয়া, ২৬.টেকনাফ, ২৭.টেকেরঘাট, ২৮.চিলমারী, ২৯.মজু চৌধুরী, ৩০.সুনামগঞ্জ নদীবন্দর, ৩১.দাউদকান্দি-বাউশিয়া, ৩২.রূপপুর এবং মেঘাই ঘাট, নাটুয়ারপাড়া।
বাংলাদেশের প্রধান নদীবন্দর হলো শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত নারায়নগঞ্জ নদীবন্দর। এটিই বাংলাদেশের বৃহত্তম নদীবন্দর। চাঁদপুর নদীবন্দরটি অবস্থিত মেঘনা নদীর তীরে, যা বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নদী বন্দর।
    Similar Topics
    TopicsStatisticsLast post
    0 Replies 
    152 Views
    by rajib
    0 Replies 
    164 Views
    by romen
    0 Replies 
    266 Views
    by Ziaulbdg
    0 Replies 
    235 Views
    by Ksaddam32843
    0 Replies 
    220 Views
    by Ksaddam32843

    বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিকের প্রথম নারী সম্পাদক তাসমি[…]

    -দেশের টেলিভিশনে প্রথমবারের মতো একজন ট্রান্সজেন্ডা[…]

    -মুজিববর্ষে ‘গভর্নমেন্ট জব পোর্টাল’ না[…]

    মুক্তিযোদ্ধাদের বীরনিবাস ভূমিহীন ও আসচ্ছল মুক্তিয[…]