Let's Discuss!

বাংলাদেশ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান
#2500
পয়েন্ট – অবস্থান
হিরণ পয়েন্ট – সুন্দরবনের দক্ষিণে
টাইগার পয়েন্ট – সুন্দরবনের দক্ষিণে
জাফর পয়েন্ট – সুন্দরবনের দক্ষিণে
এলিফ্যান্ট পয়েন্ট – কক্সবাজার
জিরো পয়েন্ট – গুলিস্তান, ঢাকা
বাংলাদেশের নদনদী
১। বাংলাদেশের নদীর সংখ্যা মাধ্যমিক ভূগোলের সূত্রে প্রায় ৭০০টি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান পকেটবুক সূত্রে ৩১০টি। ছোটদের বিশ্বকোষ এর সূত্রে প্রায় ২৩০টি।
২। বাংলাদেশ ’নদীমাতৃক দেশ’ কারণ – অধিক সংখ্যক নদী আছে।
৩। উপনদী, শাখানদীসহ বাংলাদেশে নদীর মোট দৈর্ঘ্য – ২৪,১৪০ কিলোমিটার।
৪। বাংলাদেশের দীর্ঘতমম নদী – মেঘনা
৫। বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদ – ব্রহ্মপুত্র
৬। বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদী – গোবরা নদী (মাত্র ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ)
৭। বাংলাদেশের খরস্রোতা নদী – কর্ণফুলী
৮। বাংলাদেশের প্রশস্ততম নদী – মেঘনা (ভোলার কাছে
৯। বাংলাদেশের সবচেয়ে নাব্য – মেঘনা নদীর
১০। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চর আছে – যমুনা নদীর
১১। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে বিভক্তকারী নদ – নাফ
১২। নাফ নদের দৈর্ঘ্য – ৫৬ কিলোমিটার
১৩। বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী (সুন্দরবনে) – হাঁড়িয়াভাঙ্গা
১৪। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উৎপত্তি ও সমাপ্ত নদী – হালদা ও সাঙ্গু
১৫। বাংলাদেশের মোট অভিন্ন নদী – বাংলাপিডিয়া সূত্রে ৫৮টি। যৌথ নদী কমিশন বাংলাদেশ সূত্রে ৫৭টি।
১৬। ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা অভিন্ন নদী – বাংলাপিডিয়া সূত্রে ৫৫টি। যৌথ নদী কমিশন বাংলাদেশ সূত্রে ৫৪টি।
১৭। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা অভিন্ন নদী – ৩টি (সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও নাফ)
১৮। বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশকারী নদী – ১টি (কুলিখ)
১৯। বাংলাদেশ থেকে ভারতে গিয়ে পুনরায় বাংলাদেমে প্রবেশ করেছে – আত্রাই, পুনর্ভবা, টাঙ্গন।
২০। বাংলাদেশের নদ – ব্রহ্মপুত্র, কপোতাক্ষ, আড়িয়াল খাঁ।
২১। একটি নদীর নাম একজন ব্যক্তির নামে করা হয়েছে। নদী এবং ব্যক্তির নাম যথাক্রমে- রূপসা, রূপলাল সাহার নামানুসারে।
২২। ব্রহ্মপুত্র নদ প্রবাহিত হয়েছে – চীন (তিব্বত), ভুটান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে।
২৩। জোয়ার-ভাটা হয় না – গোমতী নদীতে।
২৪। গঙ্গা (পদ্মা) নদী প্রবাহিত হয়েছে – চীন, নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে।
২৫। এশিয়ার সর্ববৃহৎ ‘প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র’ – হালদা নদী।
২৬। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মাছের রেণুপোনা সংগ্রহ করা হয় – হালদা নদী থেকে।
২৭। বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত – ফরিদপুরে।
২৮। নদীশিকস্তি – নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত জনগণ।
২৯। নদীপয়স্তি – নদীতে চর জাগলে যারা চাষাবাদ করে।
৩০। গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার সম্মিলিত নদী অববাহিকার বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত অংশ – ৩৩ শতাংশ।
    Similar Topics
    TopicsStatisticsLast post
    0 Replies 
    666 Views
    by Jahidsoc14ku
    0 Replies 
    291 Views
    by apple
    0 Replies 
    439 Views
    by Mosarofhossain
    0 Replies 
    319 Views
    by 96tipu
    0 Replies 
    387 Views
    by Jahidsoc14ku

    কাতারে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ২৩,০০০ টাকা আইন পরিবর্[…]

    কাফালা প্রথা বাতিল সৌদি আরবে ৭০ বছর ধরে বিদেশি শ্[…]

    ঢাকা-জলপাইগুড়ি যাত্রীবাহী ট্রেন বাংলাদেশের স্বাধী[…]

    স্বাধীনতা সড়ক চালু ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ বাংলাদেশের প্র[…]