Try bdQuiz for Free!

মৌখিক পরীক্ষা সম্পর্কিত বিষয়াদি
#4863
চাকরিতে নিয়োগ বা ক্যারিয়ার গঠনের ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষা বা ভাইভা একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রাথমিকভাবে লিখিত পরীক্ষার ভালো করলেও নিয়োগপ্রাপ্তির বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয় ভাইভা বোর্ডে নিজেকে একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপনের মাধ্যমে। কিন্তু প্রার্থীর জন্য এটা অনেক ক্ষেত্রেই আতঙ্কজনক। তবে আতঙ্ক বা উদ্বেগকে দূরে সরিয়ে রেখে ভাইভায় ভালো ফল করার জন্য মানসিক দৃঢ়তা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরী। এক্ষত্রে সব সময় মাথা ঠান্ডা রেখে, বিচলিত না হয়ে এবং ধীরস্থীরভাবে ভাইভা দিতে হবে। নিজের সম্পর্কে কখনো হীন ধারণা পোষণ করা যাবে না। সব সময় ইতিবাচক কথা ভাবতে ও বলতে হবে। সর্বোপরি মানানসই ও নিখুত ভাইভা দিতে হলে এক কথায় প্রয়োজন আকর্ষনীয় পোশাক-আশাক, কথাবার্তায় দৃঢ়তা, সফল হওয়ার মনোভব, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা এবং নিজের ওপর আস্থা। মানসচক্ষে সাফল্যকে অনুভব করতে পারলে তা অর্জন করাও অনেক সহজ হয়ে যায়।

পরীক্ষার দীনের পূর্বপ্রস্তুতি
১.নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছু আগেই প্রস্তুতি সেরে ফেলতে হবে।
২.যেসব কাগজপত্র বোর্ডের সামনে পেশ করতে হবে সেগুলো প্রবেশপত্র প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পূর্বই গুছিয়ে নিতে হবে।
৩.চুল-নখ, দাড়ি-গোফ কেটে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে নেয়া উচিত।
৪.পোশাক-আশাক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হওয়া আবশ্যক।কেননা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং মানানসই পোশাক মনে প্রফুল্লতা আনে, আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং পরীক্ষকের মনেও রেখাপাত করে। পোশাক খুব রংচংয়ে না হওয়া ভালো। তবে মৌসুম অনুযায়ী মানানসই যে কোনো পোশাক পরিধান করা যায়।
৫.সম্ভব হলে ঐ দিনের প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার মূল বিষয়গুলো একবার দেখে নেয়া ভালো।
৬.নির্দিষ্ট সময়ের অন্তত এক ঘন্টা আগে পরীক্ষার হলে পৌছানো উচিত।
৭.সাহস ও মনোবল সহকারে ভাইবা বোর্ডের মুখোমুখি হতে হবে।
৮.পরীক্ষার বিষয়ে অযথা ভয় পাওয়া উচিত নয়।
৯.নার্ভাস অনুভব করলে অনেক সময় জানা উত্তরগুলো এলোমেলো হয়ে যায়।
১০.তাই বোর্ডে যাওয়ার আগে না নার্ভাস না হয়ে স্মার্টনেসের সাথে সবকিছু মোকাবিলায় সতেষ্ট হতে হবে।
১১.সবচেয়ে বড় কথা হলো, ভাইভা বোর্ডের সদস্যবৃন্দের মনে যেন আপনার সম্পর্কে একটি ইতবাচক ধারনা তৈরি হয়।

ভাইভা বোর্ডে প্রবেশ করার পর
১.প্রবেশ করে সালাম দিতে হবে: ভাইভা কক্ষে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হবে। সাধারণ আদর্শ বা ভদ্রতা বজায় রাখতে হবে।
যেমন: অনুমতি নেয়া, সালাম দেয়া ইত্যাদি। বোর্ডে যে ধর্মের লোকই থাকুক না কেন মুসলিম প্রার্থী সালাম দিবেন, হিন্দু প্রার্থী নমস্কার দিবেন এবং অন্যান্য প্রার্থী নিজেদের রীতি মেনে চলবেন। সালাম দেওয়ার পর পরীক্ষকগণ বসতে বললে বসতে হবে। বসতে না বললে খানিকক্ষণ অনুমতির জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। এবং অনুমতি না পেলে অনুমতি নিয়ে বসতে হবে।
২.আচরণ মার্জিত হতে হবে: প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন ভালোভাবে শুনে শান্তভাবে আত্মবিশ্বাসের সাথে এক এক করে উত্তর দিতে হবে। সব সময় মার্জিত আচরণ করতে হবে। কারণ ভদ্র ও মার্জিত ব্যবহারে সকলেই মুগ্ধ হয়।

    এখন সময়টাই প্রচন্ড ব্যস্ত। প্রতি মুহুর্তে বেড়ে চ[…]

    ৪. ব্লগে লিখুন কিংবা তৈরি করুন ব্যক্তিগত ব্লগসাইটঃ[…]

    bdQuiz খেলতে খেলতে নিজের প্রস্তুতি পরীক্ষা করুন