Let's Discuss!

বিষয় ভিত্তিক প্রস্তুতি : বাংলদেশ ও বিশ্ব, দৈনন্দিন বিজ্ঞান এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলি
#2747
১. অপরিক্ষীত জীবন নিয়ে বেঁচে থাকা গ্লানিকর।
২. পোষাক হলো বাইরের আবরণ, মানুষের আসল সৌন্দর্য হচ্ছে তার জ্ঞান।
৩. নিজেকে জান।
৪. টাকার বিনিময়ে শিক্ষা অর্জনের চেয়ে অশিক্ষিত থাকা ভাল।
৫. জ্ঞানের শিক্ষকের কাজ হচ্ছে কোনো ব্যক্তিকে প্রশ্ন করে তার কাছ থেকে উত্তর জেনে দেখানো যে জ্ঞানটা তার মধহ্যেই ছিল।
৬. তারা জানে না যে তারা জানে না, আমি জানি যে আমি কিছু জানি না।
৭. নারী জগতে বিশৃঙ্খলা ও ভাঙ্গনের সর্বশ্রেষ্ঠ উৎস। সে দাফালি বৃক্ষের ন্যায় যাহা বাহ্যত খুব সুন্দর দেখায়। কিন্তু চড়ুই পাখি ইহা ভক্ষণ করিলে ইহাদের মৃত্যু অনিবার্য।
৮. পৃথিবীতে শুধুমাত্র একটি-ই ভাল আছে, জ্ঞান। আর একটি-ই খারাপ আছে, অজ্ঞতা।
৯. আমি কাউকে কিছু শিক্ষা দিতে পারব না, আমি শুধু তাদের চিন্তা করাতে পারব।
১০. বিস্ময় হল জ্ঞানের শুরু।
১১. টাকার বিনিময়ে শিক্ষা অর্জনের চেয়ে অশিক্ষিত থাকা ভাল।
১২. জ্ঞানের শিক্ষকের কাজ হচ্ছে কোনো ব্যক্তিকে প্রশ্ন করে তার কাছ থেকে উত্তর জেনে দেখানো যে জ্ঞানটা তার মধ্যেই ছিল।
১৩. বন্ধু হচ্ছে দুটি হৃদয়ের একটি অভিন্ন মন।
১৪. অপরীক্ষিত জীবন নিয়ে বেঁচে থাকা গ্লানিকর।
১৫. পোশাক হলো বাইরের আবরণ, মানুষের আসল সৌন্দর্য হচ্ছে তার জ্ঞান।
১৬. নিজেকে জান।
১৭. প্রকৃত জ্ঞান নিজেকে জানার মধ্যে, অন্য কিছু জানার মধ্যে নয়।
১৮. তুমি কিছুই জান না এটা জানা-ই জ্ঞানের আসল মানে।
১৯. যাই হোক বিয়ে কর। তোমার স্ত্রী ভাল হলে তুমি হবে সুখী, আর খারাপ হলে হবে দার্শনিক।
২০. ব্যস্ত জীবনের অনুর্বরতা সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।
২১. আমাদের প্রার্থনা হওয়া উচিত সাধারণের ভালর জন্য। শুধু ঈশ্বরই জানেন কিসে আমাদের ভাল।
২২. সত্যিকারের জ্ঞান আমাদের সবার কাছেই আসে, যখন আমরা বুঝতে পারি যে আমরা আমাদের জীবন, আমাদের নিজেদের সম্পর্কে এবং আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তার সম্পর্কে কত কম জানি।
২৩. তারা জানে না যে তারা জানে না, আমি জানি যে আমি কিছু জানি না।
২৪. নারী জগতে বিশৃঙ্খলা ও ভাঙ্গনের সর্বশ্রেষ্ঠ উৎস। সে দাফালি বৃক্ষের ন্যায় যাহা বাহ্যত খুব সুন্দর দেখায়। কিন্তু চড়ুই পাখি ইহা ভক্ষণ করিলে ইহাদের মৃত্যু অনিবার্য।
২৫. সেই সাহসী যে পালিয়ে না গিয়ে তার দায়িত্বে থাকে এবং শত্রুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।
২৬. নিজেকে উন্নয়নের জন্য অন্য মানুষের লেখালেখিতে কাজে লাগাও এই জন্য যে অন্য মানুষ কিসের জন্য কঠোর পরিশ্রম করে তা তুমি যাতে সহজেই বুঝতে পার।
২৭. সুখ্যাতি অর্জনের উপায় হল তুমি কি হিসেবে আবির্ভূত হতে চাও তার উপক্রম হওয়া।
২৮. তুমি যা হতে চাও তা-ই হও।
২৯. কঠিন যুদ্ধেও সবার প্রতি দয়ালু হও।
৩০. শক্ত মন আলোচনা করে ধারনা নিয়ে, গড়পড়তা মন আলোচনা করে ঘটনা নিয়ে, দুর্বল মন মানুষ নিয়ে আলোচনা করে।
৩১. বন্ধুত্ব কর ধীরে ধীরে, কিন্তু যখন বন্ধুত্ব হবে এটা দৃঢ় কর এবং স্থায়ী কর।
৩২. মৃত্যুই হল মানুষের সর্বাপেক্ষা বড় আশীর্বাদ।

🔖সক্রেটিসের দর্শন ও আরো কিছু বিষয়
৩৩. সত্যিকারের জ্ঞানী হবার প্রক্রিয়াটি তখনই শুরু হবে যখন আপনি জানবেন যে আপনি কিছুই জানেন না।
৩৪. আত্মার উন্নয়ন না করে শারীরিক সুস্থতা অর্থহীন। জ্ঞান চর্চার মাধ্যমে আত্মার উন্নয়ন সাধনই মানুষের প্রথম ও প্রধান কাজ।
৩৫. সক্রেটিসের দর্শনের আরেকটি দিক হচ্ছে যেকোনো পরিস্থিতে নিজের অবস্থান ধরে রাখা যদি কোনো ভুল না থাকে। এ প্রসঙ্গে আদালতে জুরিদের সামনে তার বক্তব্যের একাংশ তুলে ধরছি- “তোমরা আমাকে দোষী সাব্যস্ত করলে যে দেবতারা আমাকে পাঠিয়েছেন তাদেরই দোষী প্রমাণ করা হবে। আমি সদা সর্বদা মানুষকে জ্ঞানের উপদেশ দিয়েছি। আমার মতো কে আছে ? অতএব আমাকে মুক্তি দাও। এটা আমার আবেদন নয়, উপদেশ!”
৩৬. “জ্ঞানই পুণ্য”- সক্রেটিসের শ্রেষ্ঠ দর্শন।
৩৭. “অপরীক্ষিত জীবনের কোনো অর্থ নেই”- জুরিদের কাছে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাবার পর সক্রেটিস এই উক্তিটি করেন। এর অর্থ এক কথায় বলতে গেলে বলা যায়- জীবন পুষ্পশয্যা নয়। জীবনে সুখ দুঃখের উপস্থিতি আছে বলেই জীবন অর্থবহ।
৩৮.সক্রেটিসের একটি বিশ্বাস ছিল এমন যে, কেউই সত্য জেনে ভুল করে না। মানুষের কাছে যা ভাল মনে হয়, তাই সে করে। সমাজ জানে চুরি করা মন্দ কাজ, কিন্তু একজন চোরের নিকট চুরি করাটা তার জীবন কিছুটা সহজ করার রাস্তা। তাই চোরের ধারণা চুরি করা ভাল কাজ এবং সে তা করে।
৩৯. সক্রেটিসের দর্শনের আরেকটি দিক ছিল এমন যে অন্যায় করার চেয়ে অন্যায় সহ্য করা শ্রেয়।
৪০. সক্রেটিস তার প্যারাডক্সিকাল বাচনভঙ্গির জন্য বিখ্যাত। উদাহরণস্বরূপ- এক লোক তাকে জিজ্ঞেস করলো, “আপনি কি সক্রেটিস?” সক্রেটিস তখন বললেন, “প্রমাণ করুন যে আমি সক্রেটিস নই!” প্রশ্ন দিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে তিনি পারদর্শী ছিলেন। অনেক বিজ্ঞ ব্যক্তিও তার কথার সামনে বোকা বনে যেত।

সংগৃহীত
    Similar Topics
    TopicsStatisticsLast post
    0 Replies 
    865 Views
    by afsara
    0 Replies 
    812 Views
    by afsara
    0 Replies 
    270 Views
    by raja
    0 Replies 
    1093 Views
    by tumpa
    0 Replies 
    563 Views
    by rekha