Get on Google Play

বিষয় ভিত্তিক প্রস্তুতি : ইংরেজী ভাষা ও সাহিত্য
#1114
যেকোন ভাষা, হোক মাতৃভাষা বা বিদেশী ভাষা, শেখাটা একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া ৷ কৃত্রিম উপায়ে আর যাই হোক ভাষা শেখা যায়না ৷আবার ভাষাকে বিশ্লেষণ করার জন্যই গ্রামারের সৃষ্টি, ভাষাকে শেখার জন্য নয় ৷ ইংরেজি ভাষা শেখার জন্য অবচেতন মনে ইংরেজিকে ব্যাবহার করা হয় এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করুন যেখানে বেশির ভাগ লোকই কথাবর্তায় ইংরেজিকে ইউজ করে ৷ নতুন একটি ভাষাকে আত্নস্থ করার জন্য এটাই সর্বোৎকৃষ্ঠ পদ্ধতি ৷আগে দরকার ভাষার জড়তা দূরীকরণ তারপর শুদ্ধতা বা গ্রামারের প্রয়োগ৷

জড়তা দূরীকরণঃ
বুদ্ধিমান লোকেরা কোন কাজে নামার আগে প্রথমে উক্ত কাজের প্রয়োজনীয় সকল উপকরণ সংগ্রহ করার পাশাপাশি একটি ওয়ার্কপ্ল্যান তৈরী করে ৷ঠিক তেমনি ইংরেজিটাকে শিখতে হলে উপকরন হিসেবে প্রথমে নিজের ভোকাবুলারীকে এনরিজ্ড করতে হবে ৷তার জন্য একটি ডায়েরী মেইনটেইন করা যায় ( এটা খুবই ফলপ্রসূ) ৷প্রতিদিন ইংরেজি পত্রিকা(যেটা পড়তে সহজ মনে হয়,আমি পড়তাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট) বা যেকোন সোর্স থেকে প্রাপ্ত নতুন শব্দ ডায়েরীতে নোট করবেন ৷পরেরদিন সকালে পূর্বের দিনের সংগ্রহগুলোকে রিভিশান দিয়ে নতুন শব্দ তুলবেন৷ প্রতিটা শব্দ দিয়ে কমপক্ষে 4/5 টা বাক্য গঠন করবেন৷ এতে করে শব্দটি যেমন আত্নস্থ হবে তেমনি লেখার জড়তাও দূর হবে৷ প্রতি সপ্তাহ পরপর নিজের সংগৃহীত শব্দভান্ডারের উপর নিজেই টেস্ট নিন, পারফরমেন্সের উপর নিজেকে পুরস্কৃত করুন ৷ এভাবে সাইকেল ওয়াইজ কন্টিনিউ রাখতে হবে ৷ প্রতি 6 মাস পর পর নতুন ডায়েরী নিয়ে পূর্বের কঠিন বা মনে থাকেনা এমন শব্দগুলোকে লিখে ফেলে আবার শুরু করতে হবে ৷ এরকম 4/5 ডায়েরী সম্পূর্ণ করলে দেখবেন অজানা শব্দ খুঁজে পাওয়া যাবেনা৷

প্রতিদিন ইংরেজিতে কথোপকথন করাটা বা শুনাটা খুবই জরুরি৷ আমার মতো NU'র স্টুডেন্টরা এই সুযোগ থেকে নিদারুন ভাবে বঞ্চিত ৷ স্নাাতকের ৬/৭টা বছর তারা ইংরেজিতে প্রজেন্টেশান, এসাইনমেন্ট বা কনভার্সেশান থাক দূরের কথা ৪/৫ টা ইংলিশ লেকচার শুনতে পেয়েছে কিনা সন্দেহ আছে৷ তবুও এত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও যারা নিজেকে অন্যান্য উপায়ে নিজ চেষ্টায় নিজেকে তৈরী করতে সক্ষম হয়েছেন তাদেরকে স্যালুট ৷ তাই অনার্সের বছরগুলোতে যেকোন উপায়ে নিজেকে ইংরেজির সাথে সম্পৃক্ত রাখুন, হোক কোন কোচিং সেন্টারে গিয়ে বা ইংরেজি টিউশন করিয়ে ; দরকার হলে ফ্রি তে ইংরেজি পড়ান ৷ ইংরেজিতে জড়তা দূর করার ইহার চেয়ে উত্তম উপায় আর হতে পারে না ৷

গ্রামারের প্রয়োগঃ
ভাষাকে বিশ্লেষন করতে বা আরো বোধগম্য করতে জড়তা কাটিয়ে গ্রামারের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে ৷ তার জন্য প্রথমে দরকার 2/3 টা সহায়ক গ্রামার বই ৷ আমি মনে করি S M Zakir Hossain Sir এর A Passage to English বইটা বেসিক ইংলিশ শুরুর জন্য পারফেক্ট, পাশাপাশি Longman English Dictionary বইটা ওয়ার্ড এবং গ্রামার দুটার জন্যই কার্যকরী ৷ Tense, Conjugation of Tense, Formation of Sentense, Preposition ,Conjunction, Punctuation ইত্যাদি বারবার পড়ার পাশাপাশি নতুন নতুন বাক্য লিখে tense, preposition, conjunction, modal auxiliaries এর প্রয়োগ অনুশীলন করতে হবে ৷ তাতে ইংরেজি লিখার জড়তা কাটার পাশাপাশি লেখার মান বাড়বে৷ প্রতিদিন যেকোন টপিক নিয়ে 4/5 পৃষ্ঠা করে মোট 20 পৃষ্ঠা লিখার ট্যান্ডেন্সি বাড়াতে হবে , দেখে দেখে হলেও ২০ পাতা লিখবেন ( দেখে লেখার জন্য আমি Financial Express & Collumn from Indipendent কে ব্যবহার করতাম)৷ Listening এর জন্য ভারতীয় বিখ্যাত বক্তাদের english speech শুনাই যথেষ্ট৷ সহজ ভাষায় Topic wise দ্রুত রিডিং অনুশীলন করার জন্য Miller's Self assesment BCS english Written বইটা বেশ ভালো ৷

ট্রন্সলেটিং দক্ষতাঃ
ইংলিশের মোটোমুটি সব টপিকের সম্মিলিত প্রয়োগ হলো অনুবাদ ৷ তাই ইংলিশ ইমপ্রুভ করার জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ২/৩ টা E2B & ২/৩ টা B2E অনুশীলন করা আবশ্যক ৷ প্রয়োজনে ইংলিশে ভালো এমন বন্ধুদের হেল্প নিতে হবে ৷

সেনটেন্স এনলার্জিং দক্ষতাঃ
৩০ ওয়ার্ডের একটি লং সেনটেন্স ৫ মিনিট ধরে মুখস্ত করে লিখার চেয়ে একটি ৩ ওয়ার্ডের সেনটেন্সকে বুঝে বুঝে conjunction, preposition,adjective,adverb,interjection ব্যবহার করে একটি ৩০ ওয়ার্ডের সেনটেন্সে রপান্তর করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে এবং এটাই উত্তম আর ফলপ্রসূ৷

ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ম্যাথের পাশাপাশি ইংলিশও ভাইটাল রোল কাভার করে (প্রায় ৮০-৯০/২০০) এবং বিসিএস এ ইংলিশ গুরুত্বপূর্ণ ৷ 30 বা 50 মার্কের একটি রচনায় নির্ভুল গ্রামার আর স্পলিংয়ের প্রয়োগ কতটা জরুরী সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না৷ এক্ষেত্রে ৩০ মার্কের একই রচনা ৩ পাতা লিখে কেউ পায় ২৫ আর কেউ পায় ৫৷ তাই অনার্সের বছর গুলোতে ইংলিশকে দূরে না রেখে অনুশীলনে রাখতে হবে৷

আপনি কীভাবে বা কোথায় বা কী প্রতিবন্ধকতায় পড়াশোনা করেছেন, বাস্তবতার নিকট সেটা মোটেও বিবেচ্য বিষয় নয়৷ প্রতিযোগিতার মাঠে আপনাকে ঠিকই সর্বোচ্চ সুবিধাপ্রাপ্ত ক্যান্ডিডেটদের সাথে কমপিট করেই নিজেকে যোগ্য প্রমান করতে হবে৷ তাই ডিটারমিনেশান এবং সঠিক পরিকল্পনা করে পড়াশুনা করার বিকল্প নেই৷ এই বয়সে আসলে গার্ডিয়ান বলতে কিছু নেই, নিজেই নিজের গার্ডিয়ান হতে হয় ৷কারন এই বয়সে নিজের স্ট্রং বা উইক সাইড যেমন আমরা বুঝতে পারি, ঠিক তেমনি করনীয় সম্পর্কেও বুঝতে পারি৷ একটু এলার্ট হলেই আমরা সহজেই উইক পয়েন্টগুলোকে ওভারকাম করতে পারি৷ হতাশ হবার কিচ্ছু নেই, এখনি পরিকল্পনা করে শুরু করুন ৷ শেষ হবেই ৷৷৷৷
শুভকামনা সকলের জন্য ৷

শংকর দেবনাথ
সিনিয়র অফিসার ,
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ৷

    উত্তরা ১০নং সেক্টর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আগামী ২৪[…]

    শিংলাব বালিকা দাখিল মাদরাসা, ডাকঘর: কলাপাটুয়া, উপ[…]

    রহমত আলী মিয়াজী উচ্চ বিদ্যালয়, গ্রাম: হলদিয়া, প[…]

    প্রত্যাশী রুস্তম আলী উচ্চ বিদ্যালয়, পোঃ ধানুয়া, […]